নদী অসহায়

0
717

কচা নদী

ভূমিকা:
নদী প্রধান দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের বুক চিরে বয়ে যায় নদী। পারে পারে জনবসতি, নদীর ভাঙাগড়ার মতো মানুষের সামাজিক সাংস্কৃতিক অথর্নীতিক ধর্ম বর্ণ গোত্র ও রাজনৈতিক অবস্থা নদীপ্রসঙ্গকে ধারণ করে কখনো কখনো পরিবতির্ত হয়। পরিবতের্নর হাওয়ায় গড়ে ওঠে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী। জীবনচক্রে জীবিকার পথগুলো সাধারণ জনগোষ্ঠী থেকে—থাকে একটু ভিন্নতর। জল গড়ায় জীবন গড়ায়, নদীর একুল ভাঙ্গে ওকুল গড়ে। জল থেকে উবর্রমাটির বুকে সবস্বর্হারা মানুষ বসতিস্থাপন করে। নদীর সঙ্গে পানি মাটি মানুষের সঙ্গমে চিত্ররূপায়নে সময়ের বাতার্ সুধায় শিল্পীমন। গড়ে ওঠে নদীভিত্তিক সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অথর্নীতি। বঙ্গোপসাগরের জল ভিড়ে শ্যামলিমা পথে উত্তর দীগন্তে প্রবাহিত নদীর নামকরণে বাঁক বদলে বদলে, বাংলাদেশের দক্ষিণ ভাগের একটি অন্যতম বড় নদীর নাম কচা নদী। হুলারহাটের কাছে জনপ্রিয় দুটি নদী মধুমতি নদী এবং সন্ধ্যা নদীর মিলনের ফলে এই নদীটির সৃষ্টি হয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা় পিরোজপুরে মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি অন্যতম নদী।

আয়তন:
নদীটির দৈর্ঘ্য ১৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৯৬৮ মিটার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক কচা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ—পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৮।

প্রবাহ:
কচা নদীটি পিরোজপুর জেলার সদর উপজেলার শরিকতলা—ডুমুরিতলা ইউনিয়নে প্রবহমান দুটি নদী মধুমতি নদী এবং সন্ধ্যা নদীর মিলনের ফলে কচা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে। অতঃপর নদীটি চিরাপাড়া, পারসাতুরিয়া, শিয়ালকাঠি, ভিটাবাডি়য়া, নাদমুল্লা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার বলেশ্বর নদে পতিত হয়েছে।
শাখা নদী
উৎস: মধুমতি নদী, সন্ধ্যা নদী ও কালীগঙ্গা নদী, বলদিয়া ও স্বরূপকাঠী নদী কচা নদীর উপন
মোহনা: বলেশ্বর নদী, বাংলাদেশের দক্ষিণ—পশ্চিমাঞ্চলের পিরোজপুর, বাগেরহাট ও বরগুনা জেলার একটি নদী। এই নদীটি সুন্দরবনের মাঝে অবস্থিত একটি নদী। সন্ধ্যা নদীটি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন এলাকায় প্রবহমান আডি়য়াল খাঁ নদ হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। অতঃপর এই নদীর জলধারা পিরোজপুর সদর উপজেলার শরীকতলার ধুমরীতলা পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে কচা নদীতে নিপতিত হয়েছে।

উভয় পাড়ের অবস্থা:
জেলে, ভূমিহীন, কৃষক, বাওয়ালী, শ্রমিক সহ বিভিন্ন সাধারণ পেশার মানুষের বসবাস এ নদীর উভয় তীরে, নদীই তাদের ভগ্য পরিবর্তনের উপাদান, মাছ ধরা, নদীর পাড়ে ধান, কলা, সাক, সবজি চাষ, কাঠ কাটা ইত্যাদি কাজই তাদের নিত্যদিনের রুটি রুজির ব্যবস্থা করে।

কচা/ বেকুটিয়া সেতু:
সম্ভাব্য ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে চীন সরকারের অনুদান ও সহায়তায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আরও একটি স্বপ্নের, বরিশাল—খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের পিরোজপুরের বেকুটিয়া পয়েন্টে কচা নদীর ওপর নির্মিত ৮ম বাংলাদেশ—চীন মৈত্রী সেতু। স্থানীয়ভাবে নির্মাণাধীন সেতুটি বেকুটিয়া সেতু নামে পরিচিত।
এই সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে বেকুটিয়া নৈকাঠী ও চরখালী—টগড়া ফেরি সার্ভিসের প্রয়োজন লাঘব হবে। সেতুটি নির্মিত হলে পিরোজপুর জেলার চারটি উপজেলার সাথে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক সংযোগ হবে।
এদিকে দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর পায়রা এবং সমুদ্র সৈকত সাগরকন্যা কুয়াকাটার সাথে সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল এবং সমুদ্র বন্দর মংলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করবে এ সেতুটি।সুষ্ঠু ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা তৈরির জন্য চীন সরকারের অনুদানে সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
সেসময় প্রকাশিত ‘৮ম বাংলাদেশ—চীন মৈত্রী সেতু’ শিরোনামের স্মারক বই থেকে জানা যায়, একটি টোল প্লাজা, সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক, পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি ১২ মিটার সেতু ও বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।
সেতুটি নদীর তলদেশ থেকে ২৮ দশমিক ৯৮ মিটার উঁচু হবে। ৮২১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে চায়না রেলওয়ে—১৭ ব্যুরো গ্রুপ লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ করছে।
মোট বরাদ্দের ৬৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা চীন সরকার ও ১৬৭ কোটি ৪ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার।
সামগ্রিকভাবে সেতুটির দৈর্ঘ্য ২.৯৬ কিলোমিটার, যাতে ১.৪৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৩.৪ মিটার প্রস্থ একটি বড় সেতু অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১.৪৬৭ কিলোমিটার।
সেতুটি দক্ষিনাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নতিসহ চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর করবে বলে আশাবাদ সচেতন মহলের।

নৌ যান আমাদের মান:
গত এক যুগ পূর্বে দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১০০% মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ ছিল নৌ পথ, আর সেখানে সুন্দর সুন্দর লঞ্চ—স্টিমার, খেয়া, টাবুইরা, দারটানা নৌকা ইত্যাদি করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াত করতো এ অঞ্চলের মানুষ। বর্তমানে ও সেই ঐতিহ্য বহাল আছে ঢাকা—বরিশাল ও ঢাকা—হুলারহাট ইত্যাদি নৌ রুটে জাহাজ সমতুল্য লঞ্চ গুলোর জন্য। কম খরছে মনোরম ও শীতল পরিবেশে এখনো প্রায় ৬০—৭০% যাত্রী যাতায়াত করে লঞ্চে , একটি উদাহরণ না লিখে আর পারছিনা , আমি (হাছিব) গত ৭ নভেম্বর ঢাকা থেকে পিরোজপুরে আসি দক্ষিণাঞ্চলের একটি (অভিজাত বললে ভুল হবে না) লঞ্চে কেবিনে করে, লঞ্চে ওঠার পরে আমাকে ২১৭ নম্বর কেবিনের চাবি দিল, কেবিন বয় আমাকে নিয়ে গেল ২১৭ নম্বর কক্ষে, অত্যন্ত সুন্দর পরিপাটি করে ঘুছানো একটি কক্ষ, সুন্দর একটি টেবিল, টেবিলের ঠিক উপরে একটি টিভিও ছিল টেবিলটি জগ গ্লাস ও টিসু বক্স দিয়ে সাজানো ছিল দেখে মনটা ফ্রেস হয়ে গেল, ঢাকার জার্ণিতে মাথাটা ব্যাথা করছিল, না বলতেই দেখি কেবিন বয় এক কাপ কফি নিয়ে হাজির, কফি খেতে খেটে টিভিতে একটি সিনেমা দেখছিলাম কখন যে মাথা ব্যাথা কমে গেল টের পাইনি, রাত আটটা বাজতেই দরজাতে ঠক ঠক আওয়াজ, স্যার রাতে কি খাবেন? কেবিন বয়ের পশ্নে আমি বল্লাম কি আছে? উত্তরে বললো, স্যার ঘোস চিংড়িমাছ, ইত্যাদি অমি অর্ডার দিলাম কিছুক্ষণ পরেই হাজির রাতের গরম খাবার লঞ্চের কেবিনে বসে চিংড়ি/ ইলিশ দিয়ে বাসমতিচালের ভাত কি যে একটা আবহ তৈরি করেছে সেটা লিখে বুজানো অসম্ভব, দামটাও কিন্তু বেশি নিলনা, এ কথা গুলো বলার কারন হচ্ছে আমি কখোনা বিমানে চড়িনি তবে যারা চড়েছে তাদের মুখ থেকে যা শুনেছি বা ছবিতে দেখেছি তাতে আমার মনে হলো বিমানের চেয়ে অনেক উন্নত এবং কম খরচে যাতায়াতের উত্তম পথ হল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নৌ পথ, যেটা আমাদের গৌরব ও অহংকারের বিষয়ও বটে। আর এ নৌ যান ও মাল বোঝাই কার্গো গুলো ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের পথে আঁকা বাঁকা নদীগুলো পেরিয়ে কচা হয়ে বলেশ্বরের বুক চিরে বঙ্গপসাগরের দিকে দাবিত হয়।

দখলের কবলে কচা:
সমাজের প্রায় সর্বস্তরের সব শ্রেণি—পেশার মানুষ অবৈধভাবে নদী দখলের সঙ্গে যুক্ত। দখলের কারণে অনেক নদী ভরাট হয়েছে, নাব্যতা হারিয়েছে। দখলের পাশাপাশি নদ—নদী ব্যাপকভাবে দূষণের শিকার।তেমনি কচা নদীর পূর্ব পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন ইট ভাটার দখলে আর এ কারনে ঠিক অপর প্রান্ত পশ্চিম পাড় এখন ভাঙ্গনের ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় হাজারো অসহায় মানুষ।

চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা:
কচা নদীর উভয় পাড়ের ভাঙ্গন রোধে ভেরিবাধ ও যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়নে জন্য এবং নেসর্গিক সৌন্দর্য্য আনায়নে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপন সহ পিরোজপুরের উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা নিতে হবে কচা নদীকে ঘিরে।
এ ব্যাপারে নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ইমন চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, নদী বেষ্ঠিত জেলা পিরোজপুর, এ জেলার প্রায় সকল মানুষই নদীকেন্দ্রিক তাদের যাতায়াত ও ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তন, মিঠা পানিতে সাগরের নোনা পানির প্রবেশ এবং কচা, কালিগঙ্গা ও সন্ধা নদীর মোহনায় অবৈধ বালি উত্তোলনের ফলে হুমকিতে পড়েছে কচা নদী। শুধু তাই নয় নদীকে ঘিরে জীব বৈচিত্রও রয়েছে ব্যাপক ধংশের মুখে। গত ত্রীশ বছর ধরে ভাঙছে এ নদী, নিঃশ হয়েছে নদীর পাড়ের হাজার হাজার পরিবার। এমতাবস্থায় কচা নদী রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার বিকল্প নেই, শুধু তাই নয় এ দায় রয়েছে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষেরও। সু—পরিকল্পিতভাবে নদী ও পরিবেশ রক্ষা করা যেতে পারে। যেমন, নদীর পাড়ে স্থায়ী ভেরিবাধ নির্মান করে তার সৌন্দর্য বর্ধনে দেশি—বিদেশী বৃক্ষ রোপন, কচা নদীর তাজা ইলিশের স্বাধ গ্রহণে পর্যটক এরিয়া তৈরি ও নদী কেন্দ্রিক বিনোদন পার্ক নির্মাণ ইত্যাদি করা গেলে খুলতে পারে সম্ভাবনা নতুন দুয়ার।

কচার ভভিষৎ:
দখলদারি ও কচা নদীর উত্তর প্রান্তে ব্রীজ হওয়ায় ধীরে ধীরে এ নদীর নাব্যতা হারাতে পারে। এ বিষয়ে দৈনিক আমাদের কন্ঠের স্টাফ রিপোর্টার জুবায়ের আল মামুনের কাছে প্রশ্ন করায় তিনি বলেন, পিরোজপুরের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে নদী মাতৃক আমাদের এই জেলার সকল কিছুই জড়িত, বর্তমানে নদীর তীরবর্তি এলাকা কিছু ভুমিদস্যুর লোলুপ দৃষ্টিতে ধ্বংস হতে বসেছে। অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা তৈরি করতে গিয়ে নদীর পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে তারা। প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে দিনের পর দিন এই কাজগুলো করছেন অনকেই, এর একটা নজরদারী প্রয়োজন । না হলে নদীর ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হবেনা। এছাড়াও নদীতে সেতু হওয়ায় ে¯্রাত কমে গিয়ে নাব্যতা সঙ্কটে পরেছে কচা নদী, পলি জমে উচু হয়ে গেছে নদীর তলদেশ, এতে র্বষা মৌসুমে নদীর তীরে ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে লোকালয়ে বির্পযয়ের সৃষ্টি হবে। নব্যতা ঠিক রাখতে প্রতি বছর কচা নদীর সেতু এলাকায় খনন কার্য পরিচালনা করলে ঠিক থাকবে কচার গৌরবময় ঐতিহ্য।

নদী অসহায়:
নদী রক্ষায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। নদী উদ্ধারে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সুপারিশও কাজে আসছে না। নদীবিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা বলছেন, নির্দেশনা ও সুপারিশ বাস্তবায়নে বড় আকারের কার্যকর উদ্যোগ নেই।
দেশের নদ—নদী অব্যাহতভাবে দখল হয়েছে, হচ্ছে। ধনী—দরিদ্র, শিক্ষিত—নিরক্ষর, রাজনীতিক—ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি—সাধারণ মানুষ ও সমাজের প্রায় সর্বস্তরের সব শ্রেণি—পেশার মানুষ অবৈধভাবে নদী দখলের সঙ্গে যুক্ত। দখলের কারণে অনেক নদী ভরাট হয়েছে, নাব্যতা হারিয়েছে। দখলের পাশাপাশি নদ—নদী ব্যাপকভাবে দূষণের শিকার। দূষণে নদীর পানি ও নদীনির্ভর প্রাণ বৈচিত্র নষ্ট হয়েছে। দখল ও দূষণে দেশের অনেক নদী মৃত বা মৃতপ্রায়। অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা তৈরি করতে গিয়ে নদীর পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে তারা। প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে দিনের পর দিন এই কাজগুলো করছেন অনকেই, এর একটা নজরদারী প্রয়োজন । না হলে নদীর ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হবেনা। এছাড়াও কচা নদীতে সেতু হওয়ায় ে¯্রাত কমে গিয়ে নাব্যতা সঙ্কটে পরেছে কচা নদী, পলি জমে উচু হয়ে গেছে নদীর তলদেশ, এতে র্বষা মৌসুমে নদীর তীরে ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে লোকালয়ে বির্পযয়ের সৃষ্টি হবে। সু—পরিকল্পিতভাবে নদী ও পরিবেশ রক্ষা করা যেতে পারে। যেমন, নদীর পাড়ে স্থায়ী ভেরিবাধ নির্মান করে তার সৌন্দর্য বর্ধনে দেশি—বিদেশী বৃক্ষ রোপন, কচা নদীর তাজা ইলিশের স্বাধ গ্রহণে পর্যটক এরিয়া তৈরি ও নদী কেন্দ্রিক বিনোদন পার্ক নির্মাণ ইত্যাদি করা গেলে খুলতে পারে সম্ভাবনা নতুন দুয়ার। নব্যতা ঠিক রাখতে প্রতি বছর কচা নদীর সেতু এলাকায় খনন কার্য পরিচালনা করলে ঠিক থাকবে কচার গৌরবময় ঐতিহ্য।

প্রতিবেদন, কচা নদী

প্রতিবেদক: হাছিবুর রহমান, সম্পাদক, বাবুই ও মুনিয়া

সহযোগিতায়: রয়েলবেঙ্গল ফাউন্ডেশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here